এই নদী সম্পর্কে
ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর এর নাম হয় যমুনা, যা এর পরিবর্তনশীল জালাকার প্রবাহপথ ও বিশাল চরের জন্য বিখ্যাত, যেখানে নদী তার গতিপথ পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষ চাষাবাদ ও পুনর্বাসন করে। বঙ্গবন্ধু সেতু (১৯৯৮) ও নতুন যমুনা রেল সেতু এর উপর দিয়ে দেশের পূর্ব ও পশ্চিমাংশকে যুক্ত করেছে।
🏞️ পর্যটন
চরাঞ্চল ভ্রমণ, যমুনা সেতুর কাছে নদী ভ্রমণ এবং চরে পাখি দেখা পর্যটকদের আকৃষ্ট করে, বিশেষত সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার আশপাশে।
💰 অর্থনৈতিক গুরুত্ব
চরাঞ্চলের কৃষি (ধান, পাট, শাকসবজি), বালু ও নুড়ি উত্তোলন, এবং যমুনা সেতু করিডোর দিয়ে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন।
নদী রুট মানচিত্র
নৌকা ও লঞ্চ সময়সূচি
এই নদীর জন্য এখনো কোনো লঞ্চ সেবার তালিকা নেই।