জেলা পরিচিতি

গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ ঢাকা বিভাগের একটি নদীবহুল জেলা, যা কৃষি, রাজনৈতিক ইতিহাস এবং দক্ষিণ-মধ্য বাংলাদেশের শক্তিশালী সাংস্কৃতিক পরিচয়ের জন্য পরিচিত। এর আয়তন ১,৪৬৮.৭৪ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ১,২৯৫,০৫৭। গোপালগঞ্জ শহর জেলা সদর এবং মধুমতি নদী ব্যবস্থার তীরে অবস্থিত।

বর্তমান আবহাওয়া

আংশিক মেঘলা

তাপমাত্রা২৬.৯°C
বাতাসের গতি৬.১ km/h
আপডেট০১:৪৫

নামাজের সময়সূচি

ফজর০৪:২৯
সূর্যোদয়০৫:৩৫
যোহর১২:০৬
আসর১৫:৩২
মাগরিব১৮:৩৭
ইশা১৯:৪৩

সর্বশেষ সংবাদ

এই জেলার সাম্প্রতিক খবর

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

গোপালগঞ্জ ঢাকা বিভাগের একটি নদীবহুল জেলা, যা কৃষি, রাজনৈতিক ইতিহাস এবং দক্ষিণ-মধ্য বাংলাদেশের শক্তিশালী সাংস্কৃতিক পরিচয়ের জন্য পরিচিত। এর আয়তন ১,৪৬৮.৭৪ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ১,২৯৫,০৫৭। গোপালগঞ্জ শহর জেলা সদর এবং মধুমতি নদী ব্যবস্থার তীরে অবস্থিত।

ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট

গোপালগঞ্জের ইতিহাস নদীনির্ভর বসতি, কৃষিজীবন এবং পুরোনো ফরিদপুর অঞ্চলের ঐতিহাসিক ধারার সঙ্গে যুক্ত। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভূমি হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ জেলার বিশেষ গুরুত্ব তৈরি হয়।

ভৌগোলিক পরিচিতি

অবস্থান: মধুমতি অববাহিকায় দক্ষিণ-মধ্য বাংলাদেশ। নিম্ন নদীসমভূমি, খাল-নদী এবং উর্বর কৃষিজমি এ জেলার বৈশিষ্ট্য।

প্রশাসনিক কাঠামো

জেলা সদর: গোপালগঞ্জ

উপবিভাগ: ৫টি উপজেলা

এই ডেটাবেসে বর্তমান উপজেলাগুলো আলাদাভাবে upazilas টেবিলের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জনসংখ্যা ও সমাজ

জনসংখ্যা (২০২২): ১,২৯৫,০৫৭। ৭+ সাক্ষরতার হার ৭৯.৮৪%, প্রায় ২০.০১% মানুষ শহরাঞ্চলে বাস করত, এবং বাংলাদেশের জেলাগুলোর মধ্যে এ জেলায় হিন্দু জনগোষ্ঠীর অংশ অন্যতম বেশি।

শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান

গোপালগঞ্জের শিক্ষাব্যবস্থায় জেলা কলেজ, বিদ্যালয় এবং ক্রমবর্ধমান উচ্চশিক্ষা উপস্থিতি রয়েছে; গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান এবং আঞ্চলিক একাডেমিক নেটওয়ার্ক এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি: কৃষি, স্থানীয় বাণিজ্য, রাজনৈতিক স্মৃতিচর্চা এবং নদীনির্ভর জনজীবন গোপালগঞ্জের পরিচয় গড়ে তুলেছে। টুঙ্গিপাড়া ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য এ জেলার কেন্দ্রীয় পরিচয়ের অংশ।